Hot Posts

6/recent/ticker-posts

রানিং স্টাফরা কর্মবিরতিতে, রেলে ভোগান্তির শঙ্কা

রানিং স্টাফরা বলছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কাজে ফিরবেন না। লোকো মাস্টার (চালক), গার্ড, টিটি এবং অ্যাটেন্ডেন্টসদের রানিং স্টাফ বলা হয়। দিনে ১০০ মাইলের বেশি ট্রেন চালালে তারা একদিনের বেতনের সমান ভাতা পান, এর ৭৫ শতাংশ পেনশনে যোগ হয়।

Ad1

২০২১ সালের ৪ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত দেয়, ভাতা পেনশনে যোগ বেআইনি। যদিও রানিং স্টাফরা ১৮৬০ সাল থেকে এ সুবিধা পাচ্ছেন। তারা আন্দোলনে নামার পর ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট সিদ্ধান্ত হয়, দুই দিনের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত পাল্টাবে। 

Ad2

তবে তা হয়নি জানিয়ে রেলওয়ে রানিং স্টাফ এবং কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুর রহমান সমকালকে বলেছেন, নতুন যোগ দেওয়া চালকদের মাইলেজ ভাতাও নেই। ৩১ অক্টোবর রেল সচিবের সঙ্গে বৈঠকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল ৩০ দিনের মধ্যে সমাধান হবে। তা না হওয়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে দিনে আট ঘণ্টার বেশি কাজ করা বন্ধ করেন রানিং স্টাফরা। কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে দুদিন পর আবার দিনে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করছেন। ৩১ ডিসেম্বর বৈঠকে রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম ১০-১২ দিনের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন। রানিং স্টাফরা ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেন। এখন আর কিছু করার নেই। 

Ad3

সোমবার কমলাপুরে গিয়ে রানিং স্টাফদের সঙ্গে বৈঠক করেন রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। নাজমুল ইসলাম সমকালকে বলেন, সমস্যার সমাধান অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে। রেল সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে, যাতে আনুতোষিক পেনশনে যোগ হয়। কিন্তু রানিং স্টাফরা এ সুবিধা পুনর্বহালের আগে কাজে ফিরতে রাজি হয়নি।

Ad4

মুজিবুর রহমান বলেছেন, রেল যদি অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে সুবিধা আদায় করতে না পারে তাহলে উপদেষ্টা পদত্যাগ করুক। একাধিক রানিং স্টাফ সমকালকে বলেছেন, নিয়মানুযায়ী আট ঘণ্টা ট্রেন চালানোর পর আট ঘণ্টা পূর্ণ বিশ্রাম পাবেন কর্মীরা। কিন্তু জনবল সংকটে ১০-১২ ঘণ্টা ট্রেন পরিচালনার পর, তিন চার ঘণ্টা বিরতিতে আবার কাজ করতে হয়।


Post a Comment

0 Comments